খাল খনন কর্মসূচি পানি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে : দুলু
Published : ০৪:৩৮, ১১ মে ২০২৬
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে এবং কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
আজ জেলার হলোখানা ইউনিয়নের আরাজি পলাশবাড়ি মৌজার দাসের হাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ পর্যন্ত খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সেই কর্মসূচি দেশের কৃষিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দেয় এবং বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চাল রপ্তানিতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিএনপি সরকার আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, নালা ও জলাধার খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। খাল ও জলাধারে সংরক্ষিত পানি সেচ কাজে ব্যবহার করা গেলে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমবে এবং ফসলের ফলন বাড়বে।
তিনি বলেন, খালগুলোতে সারা বছর পানি সংরক্ষণ করা গেলে মাছচাষ, হাঁস পালনসহ বিভিন্ন গ্রামীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে। পাশাপাশি খাল পুনঃখনন বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

































