নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত সেতুর শুভ উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন

নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত সেতুর শুভ উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

Published : ১৫:০৬, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়ন ও উদ্যোগে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ব্রিজটি নগরবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ব্রিজটি চালুর ফলে রামপুরা খালের দুই পাড়ের ঘনবসতিপূর্ণ আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে পথচারীদের ঘুরে যেতে হতো। নতুন এই সংযোগের ফলে সরাসরি খাল পার হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ব্রিজটি দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগ সহজ করার পাশাপাশি নগরবাসীর মূল্যবান সময় সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করা এবং জনদুর্ভোগ কমাতে ডিএনসিসি বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

প্রশাসক আরও জানান, শুধু পথচারীদের চলাচলের জন্য এই উন্নয়ন সীমাবদ্ধ থাকছে না। রামপুরা খালের ওপর আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।

ভবিষ্যতে রাজধানীতে মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্মিত ও প্রস্তাবিত এসব ব্রিজ বিকল্প যোগাযোগপথ বা ‘বাইপাস রুট’ হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে রামপুরা-বাড্ডা সংলগ্ন প্রধান সড়কের ওপর যানজটের চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

ডিএনসিসির নিজস্ব অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি পরিচালনায় সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং ডিএনসিসির উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement