শিক্ষাসহ চার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে মাহদী আমিন
Published : ১৫:২১, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর ১০ উপদেষ্টার দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে উপদেষ্টা মাহদী আমিনকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের তালিকায় থাকা মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
মাহদী আমিন অতীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলটির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার আর্থসামাজিক উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গেও তিনি সম্পৃক্ত।
তারেক রহমান যখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন শিক্ষা ও গবেষণা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন মাহদী আমিন। ২০২৪ সালে তাকে বিএনপির ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য করা হয়।
উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মাহদী আমিন। তিনি লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে তার দায়িত্বের পরিধির অংশ হিসেবে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট চারটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করায় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের নেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আরেকটি ফেসবুক পোস্টে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় এবং নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তার জন্য গর্বের বিষয়।
তিনি লেখেন, ২০১১ সাল থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। বিভিন্ন সেক্টরের নীতিনির্ধারণী বিষয় এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর একটি। প্রথমবার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের সময় তারেক রহমান ছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান।
সে সময় আবেগবশত তাকে ‘দেশনায়ক’ বলে সম্বোধন করা হলেও তার নির্দেশে তা থেকে বিরত থাকেন। ২০১৮ সালে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
চলতি বছরে দলের চেয়ারম্যান হন এবং পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মাহদী আমিন আরও লেখেন, গত এক যুগ ধরে উপদেষ্টা হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও সহযোগিতা করে গেছেন।
একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে যাচ্ছেন—সেই লক্ষ্য পূরণে সামান্য ভূমিকা রাখার সুযোগও তার জন্য পরম প্রাপ্তি।
তিনি স্মরণ করেন, ২০১৪ সালে ব্যক্তিগত উপদেষ্টা হিসেবে প্রথম নিয়োগের সময় যে অঙ্গীকার করেছিলেন, আজও সেই প্রতিশ্রুতির প্রতি অটল রয়েছেন। দল-মত-আদর্শ নির্বিশেষে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিডি/এএন
































