মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাট প্রতিনিধি

Published : ১৩:১৭, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে নৌপথে বানৌজা মোংলার জেটিতে পৌঁছান তিনি। সফরে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ, মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার। সেখান থেকে নৌপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলায় পৌঁছান তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টায় মধ্যাহ্নবিরতির কর্মসূচি রয়েছে। এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার এবং খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। পরে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ড রুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। বিকেল ৩টায় জেটিতে পৌঁছে সেটি পরিদর্শন করবেন। এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে ৩টায় ওই অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

সফর শেষে বিকেল ৪টায় হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বিকেল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁর পরিদর্শনস্থলগুলোতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি এসআরবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

এ সফর রাজনৈতিক নয় বলে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথ ও পরিদর্শনস্থলে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি সীমিত থাকবে। নির্ধারিত উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই মূলত এসব স্থানে উপস্থিত থাকবেন।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement