ফুটপাত দখল করলেই মামলা, মালামাল জব্দ: ডিএসসিসি প্রশাসক
Published : ১৪:২৬, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালে সরাসরি মামলা দায়ের এবং মালামাল জব্দ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানিয়েছেন, অবৈধ দোকান উচ্ছেদে আর অনুরোধ নয়, এখন থেকে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ডিএসসিসি আয়োজিত সাপ্তাহিক ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে বিশেষ মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সড়কে যানজট, যত্রতত্র ময়লা ফেলা এবং পথচারীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টির পেছনে অবৈধ হকার ও ভাসমান দোকানগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। নগরবাসীকে এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে নির্ধারিত নিয়মের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের দোকান পাওয়া গেলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নিউমার্কেট এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে আবদুস সালাম বলেন, আগামী সপ্তাহেই সেখানে আবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। কোনো অবস্থাতেই সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না। রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও যানজট নিরসনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি সচেতনতামূলক র্যালি ও প্রচারণাও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ের সামনে থাকা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসক জানান, জনস্বার্থে সিআইডি কর্তৃপক্ষের অনুরোধে স্টেশনটি স্থানান্তর করে সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন আরেকটি এসটিএস নির্মাণের কাজ চলছে, যা চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা অভিযানটি সিআইডি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগর, কাকরাইল ও নয়াপল্টন হয়ে ফকিরাপুলে গিয়ে শেষ হয়। অভিযানের সময় ডিএসসিসি প্রশাসক বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার ও অবৈধ দোকান অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও অংশ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাইকিং ও সচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়।































