দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ আবারও জোরালো হতে শুরু করেছে। আজ রোববার দেশের মোট ৯টি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে আরও কমতে পারে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের আওতাভুক্ত এলাকার সংখ্যাও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, যেখানে পারদ নেমেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা—এই ৯ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, আজ দিনের বেলায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে আগামীকাল সোমবার থেকেই আবার তাপমাত্রা কমার প্রবণতা শুরু হবে।
চলতি শীত মৌসুমে এর আগেও শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার ছিল ব্যাপক। গত শুক্রবার দেশের ২০টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে ২৪টি জেলা। গতকালও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল তেঁতুলিয়ায়, যা ছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে বুধবার নওগাঁর বদলগাছীতে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি শীত মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। যদি পারদ ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়, তাহলে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।



































