যশোরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: সহায়তার অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরি আটক
Published : ১৬:১৪, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের অভয়নগরে স্কুল চলাকালে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শেখ লুৎফুর রহমান জানান, গত ২৬ অক্টোবর সোমবার বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী বাথরুমে গেলে সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন সেখানে প্রবেশ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে বিষয়টি জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
বাড়ি ফিরে পরদিন মেয়েটি স্কুলে যেতে না চাইলে তার মা কারণ জানতে চান। তখন মেয়েটি শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।
ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফুর রহমান আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর অভিভাবক ও স্বজনেরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিনকে ঘটনাটি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাদের আটক করা হয়েছে।
আটক জুলিয়া আফরিন ও মোস্তাফিজুর রহমানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ওসি (তদন্ত)। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
































