আরও ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
Published : ১৭:৪৯, ১১ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আরও পাঁচটি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার, ফলাফলের কাগজপত্র (রেজাল্ট শিট) এবং অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জামাদি হেফাজতে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো—ঢাকা-১৩, ঢাকা-৫, গাইবান্ধা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪।
বুধবার (১১ মার্চ) এসব আসনে নির্বাচনি কারচুপির অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলাগুলো দায়ের করেছিলেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১৩ আসনের খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ, গাইবান্ধা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার, পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।
এর আগে গত রোববার (৮ মার্চ) একই ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জাম সংরক্ষণে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ জারি করা হয়েছিল।
ঢাকা-১৬ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলাটি করেছিলেন ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী এবং বর্তমান প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ফলাফল পুনর্গণনার দাবিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে হাইকোর্টে ২৫ জনেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের শুনানি করার জন্য হাইকোর্টে একটি নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বিডি/এএন


































