চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ১৬টি জ্বালানি জাহাজ, আসছে আরও তিনটি
Published : ১২:০৭, ১৪ মার্চ ২০২৬
মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানি বহনকারী মোট ১৬টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এসব জ্বালানি দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দশ দিনে কাতার থেকে আসা তিনটি এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’—প্রতিটিতে প্রায় ৬২ হাজার টন করে এলএনজি নিয়ে এসে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এছাড়া ১২ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ নামের আরেকটি জাহাজ থেকে ২৬ হাজার ১৬৫ টন এলএনজি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) খালাসের কাজ চলছে।
অন্যদিকে এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা এসব জাহাজ ইতোমধ্যে মোট ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি খালাস করেছে। আরও কয়েকটি এলপিজি ট্যাঙ্কার থেকে খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা মার্চের মাঝামাঝি নাগাদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এলএনজি ও এলপিজির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পরিশোধিত জ্বালানিও বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল এবং বেজ অয়েল—যেগুলো শিল্পখাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং প্রায় চার হাজার টন বেজ অয়েল দেশে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা জাহাজ চলাচল এবং বিমা ব্যয়ের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলছে। তবে বন্দরের কর্মকর্তাদের মতে, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা নেই।
বিডি/এএন


































