ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুদ হাতে ১ লাখ টন, পথে আরও ২.৮০ লাখ টন
Published : ০১:০১, ৮ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব এবং অপারেশন উইংয়ের প্রধান মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে প্রতি মাসে প্রায় ৩.৮০ লাখ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর কাছে ১ লাখ টনেরও বেশি ডিজেল মজুদ আছে। এর পাশাপাশি আরও ২.৮০ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে।
শনিবার (৭ অক্টোবর) এসব তথ্য জানান তিনি। তবে কৌশলগত কারণ দেখিয়ে কোন দেশ থেকে কত দামে তেল কেনা হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ২.৮০ লাখ টন ডিজেলের চালানের একটি অংশ ইতোমধ্যে দেশে আসা শুরু করেছে। কিছু জাহাজ সমুদ্রে রয়েছে এবং কিছু জাহাজ বর্তমানে জাহাজীকরণের প্রক্রিয়ায় আছে। ফলে মার্চ মাসে দেশে ডিজেলের কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।
তিনি আরও জানান, আরও চারটি উৎস থেকে অতিরিক্ত ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে সরবরাহকারীদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিনিময়ের কাজ চলছে। তাই ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, যদি কেউ অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত ডিজেল না কেনেন, তাহলে পেট্রোল পাম্পগুলোতেও কোনো ধরনের সংকট তৈরি হবে না।
তবে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জ্বালানি বিভাগ মনে করছে, অনেক বাইকার অযথা পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন, যার ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। তাদের এই প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে বেশি করে জ্বালানি কেনা বন্ধ হলে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে স্বাভাবিক ভারসাম্য ফিরে আসবে।
এদিকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ফলে আপাতত দেশে গ্যাসের সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। এছাড়া নভেম্বর পর্যন্ত পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় সরকার সাময়িকভাবে সার কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এতে করে সামগ্রিকভাবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে জ্বালানি বিভাগ।
অন্যদিকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৫০ দিনের চাহিদা পূরণ করার মতো ফার্নেস অয়েল মজুদ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিডি/এএন


































