দাম্পত্য বিতর্কে নীরব গোবিন্দ, স্ত্রীকে প্রভাবিত করার অভিযোগ অভিনেতার!
Published : ১১:২০, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ও তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে আগেই একাধিকবার বক্তব্য দিয়েছেন সুনীতা। এমনকি অভিনেত্রী কোমল রানির সঙ্গে গোবিন্দর সম্পর্ক নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তিনি। এবার সেই বিতর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান জানালেন অভিনেতা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ দাবি করেন, কেউ একজন ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর স্ত্রীকে প্রভাবিত করছেন বলে তাঁর ধারণা। পরিস্থিতি যে একসময় এমন রূপ নিতে পারে, সেই আশঙ্কা সাত-আট বছর আগেই করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে স্ত্রীর অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি বিস্তারিত মন্তব্য না করে নীরব থাকাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন এই অভিনেতা।
গোবিন্দর কথায়, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানুষের নানা প্রতিক্রিয়া থাকতেই পারে। বিশেষ করে নারীদের মতামত নিয়েও তাঁর কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি মনে করেন, সময়ের সঙ্গে বিতর্ক থেমে গেলেও মানুষের বলা কঠিন কথাগুলো দীর্ঘদিন মনে থেকে যায়। তাই অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য বা নতুন করে বিতর্ক তৈরির মতো পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চান তিনি।
২০-২২ কোটি টাকার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন গোবিন্দ
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের পাশাপাশি নিজের জীবনের একটি কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা। পায়ে গুলি লাগার ঘটনার পর তাঁর কাছে এক পা হারানো ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছিল বলে জানান তিনি। এমন একটি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০ থেকে ২২ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিকের প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলেও দাবি করেন গোবিন্দ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি তিনি।
অভিনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, জীবনে নানা প্রতিকূলতা এলেও নিজের সিদ্ধান্ত ও আত্মসম্মানকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। অর্থের অঙ্ক বড় হলেও সব প্রস্তাব গ্রহণ করা তাঁর কাছে জরুরি নয়।
বিতর্কের মাঝেও নিজের অবস্থানে অনড় অভিনেতা
গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজার সম্পর্ক নিয়ে চলমান আলোচনা বিনোদন জগতে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বেশি কথা বলতে আগ্রহী নন অভিনেতা। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কে জড়িয়ে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য করার বদলে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতে চান তিনি।
এখন এই দাম্পত্য বিতর্ক কোন দিকে এগোয়, সেটিই দেখার বিষয়। তবে গোবিন্দর সাম্প্রতিক বক্তব্যে উঠে এসেছে তাঁর নীরব থাকার সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিগত জীবনে আত্মসম্মান বজায় রাখার অবস্থান।

































