অটিজমে অবদানের স্বীকৃতি, দুই আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন ইয়াশা সোবহান

অটিজমে অবদানের স্বীকৃতি, দুই আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন ইয়াশা সোবহান ইয়াশা সোবহান | ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার

Published : ১৮:৩২, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, বিকাশ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দুটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছেন বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান। তিনি ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ডক্টর অব ফিলোসফি ইন সোশ্যাল ওয়ার্কস (Honoris Causa)’ সম্মাননা পেয়েছেন।

সামাজিক কল্যাণে তাঁর উদ্যোগ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জনকে দেখা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের দ্য রিটজ-কার্লটন হোটেলে আয়োজিত ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স-২০২৬’-এর ৪৩তম আসরে ইয়াশা সোবহানের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা পেশাজীবী ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে এ আয়োজন করা হয়। সেখানে তাঁর এই স্বীকৃতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও যেন শিক্ষা গ্রহণ, নিজেদের সক্ষমতা বিকাশ এবং সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে ইয়াশা সোবহান অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, পরিচর্যা এবং সামগ্রিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। শিশুদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি তাঁদের জন্য উপযোগী ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাঁদের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও সক্রিয় ইয়াশা সোবহান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ব্র্যান্ড উন্নয়নের সঙ্গে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ অর্জিত এই দুই সম্মাননা তাঁর সামাজিক উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও পরিচিত করেছে। পাশাপাশি শিশুদের বিকাশ, অধিকার এবং সমাজে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার গুরুত্বও তুলে ধরেছে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement