গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের নিরাপত্তায় সাইবার আইন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
Published : ১৫:৪৩, ৪ অক্টোবর ২০২৬
সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট, অপতথ্য, গুজব ও অনলাইন হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেওয়াই আইনটির মূল লক্ষ্য।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে মানুষকে হেনস্তা ও হয়রানি করা হচ্ছে। একইভাবে সাংবাদিকদের নাম ব্যবহার করেও নানা ধরনের ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে। এসব পরিস্থিতিতে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবার সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার বিশ্বাস করে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করছে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখে আইন প্রণয়নের বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রস্তাবিত আইনে কোনো নিবন্ধিত সংবাদপত্র, টেলিভিশন বা অনলাইন পোর্টালে ভুলবশত আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। বিষয়টি আইনের ভাষায় কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়টিও উঠে আসে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজ বোর্ড এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। দশম ওয়েজ বোর্ডের আগে নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং প্রয়োজনে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় তোলার কথাও জানান তিনি।
একই সঙ্গে ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে গণমাধ্যম মালিকদেরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান ইয়াসের খান চৌধুরী। সরকারের সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা বাস্তবায়িত না হলে সাংবাদিকরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।





























