ব্যাংকিং জটিলতায় কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৭৩৯ জন ছাঁটাই
Published : ১২:৩৩, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কেয়া গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় দফায় ৭৩৯ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ব্যাংকিং জটিলতা এবং অতিরিক্ত জনবলের কারণে উৎপাদন ও প্রশাসনিক ব্যয় কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।
গত মঙ্গলবার ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে কেয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক পাঠান জানান, সাউথইস্ট ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সঙ্গে তাঁদের হিসাবসংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আব্দুল খালেক পাঠানের দাবি, ব্যাংকগুলো তাঁর সঙ্গে বসে হিসাবের সঠিকতা যাচাই না করেই ঋণের হিসাব করছে। এ জটিলতা নিরসনে অডিটর, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্ম ও অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে হিসাবের গরমিল দূর করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
কেয়া গ্রুপের চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, চারটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঋণের কথা বলছে। হিসাবের গরমিল দূর করা গেলে ঋণের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ব্যাংকিং জটিলতার কারণে ঋণপত্র (এলসি) খোলা বন্ধ রয়েছে। ফলে কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, কেয়া গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানে ৭৩৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটকে শিল্প পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।






























