দামুড়হুদায় জব্দ ১,৫০০ বস্তা সার, গোডাউন সিলগালা
Published : ১১:০৮, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মজুত রাখা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার সন্ধ্যায় বিএডিসির এক সার ডিলারের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব সার উদ্ধার করা হয়। পরে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার ‘নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডার’-এর একটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় মজুত করা সারের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ডিলার।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার। গোডাউনে সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে বিপুল পরিমাণ সার মজুতের তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ৩৭০ বস্তা ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ১ হাজার ১২০ বস্তা ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) এবং ১০ বস্তা মিউরেট অব পটাশ (এমওপি)। সব মিলিয়ে সারের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ বস্তা। অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থিতিতে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক ধারণা, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার ঢাকা পোস্টকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএডিসির সার ডিলারের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন ধরনের মোট ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। ডিলার এসব সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণ সরকার বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে, মামলা ও আটকের বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।































