৯৫ বছর বয়সী শামসুল হকের পাশে প্রধানমন্ত্রী, নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিতের নির্দেশ
Published : ১৪:৩৫, ৫ নভেম্বর ২০২৬
‘ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায়’—শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এরপর বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার খোঁজখবর নিতে গোপালগঞ্জে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামে হাজী শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে যায়।
এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বৃদ্ধের শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
সাক্ষাৎকালে মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, সরেজমিনে গিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, শামসুল হকের ছেলেরা তাঁকে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং আমৃত্যু তাঁর দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লা জীবনের দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করে দুই ছেলে ও চার মেয়েকে বড় করেছেন। সম্প্রতি নিজের জমিজমা ছয় সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পর তিনি সন্তানদের কাছেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলে বাড়ির পাশের একটি গাছের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তিনি।
তাঁর এই দুরবস্থার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।
প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমদ, শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ছাত্রনেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

































