বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বৈঠকে বাণিজ্য জটিলতা নিয়ে আলোচনা
Published : ১১:০৪, ৮ অক্টোবর ২০২৬
নয়াদিল্লিতে আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক। দুই দিনের এ বৈঠক শেষ হবে আগামীকাল শুক্রবার। এতে বাংলাদেশ দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যা, পাটপণ্যের ওপর আরোপিত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার এবং স্থলবন্দরকেন্দ্রিক নানা জটিলতার বিষয় তুলে ধরবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। প্রতিনিধিদলটি মঙ্গলবার ঢাকা ছাড়ে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত বাংলাদেশের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ দাবিই বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। তবে ভারতীয় পক্ষের আলোচ্য বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।
আলোচনাটি মূলত দুই দেশের বাণিজ্যিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও সমাধানের পথ খোঁজার জন্য হওয়ায় বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা নেই।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। ভারত থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, তার তুলনায় দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে বহুল আলোচিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বা সিইপিএ এবার বাংলাদেশের আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়নি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ১৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১ হাজার ৯৬ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাৎ দুই দেশের বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা শিল্পকারখানার কাঁচামাল, কাপড়, তুলাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভর করেন। ফলে বাণিজ্য সহজীকরণ, শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা কমানো এবং স্থলবন্দরের কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়গুলো ব্যবসায়ী মহলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।































