লুপ্ত ইতিহাস ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার : সংস্কৃতি মন্ত্রী
Published : ০১:২৫, ১৭ মে ২০২৬
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রয়েছে। কালের বিবর্তনে এর অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও সরকার সেসব লুপ্ত ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে কাজ করছে।
আজ রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি–র জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নেপাল ফেস্টিভ্যাল-২০২৬ কালচারাল প্রোগ্রাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ।
মন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে থাকা সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পাহাড় ও সমতলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম ও বর্ণের মানুষের ইতিহাস ও সংস্কৃতি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি দেশ। অতীতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বাংলার সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনায় আকৃষ্ট হয়ে এখানে এসেছেন। তাই দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই মূল্যবান সম্পদ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজা উদ্দীন স্টালিন এবং পোখরা বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির সভাপতি মশিউর রহমান।
নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ নেপালের রাজদরবার থেকেই আবিষ্কৃত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে, যা বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।
অনুষ্ঠানে নেপালি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে নেপালের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের প্রদর্শনী ও বিক্রয় আয়োজন করা হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

































