‘১০০ বিঘার বেশি জমি আছে’, চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিপজলের জবাব
Published : ১৮:৫৭, ৪ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে নিজের সম্পদের কথা তুলে ধরেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, গাবতলীতে এক দাগেই তার ১০০ বিঘার বেশি জমি রয়েছে। তাই অর্থের জন্য কারও কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডিপজলের ভাষ্য, গাবতলীতে তার পর্যাপ্ত সম্পদ রয়েছে। ফলে চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রশ্নই আসে না। তার এই বক্তব্যের পর গাবতলীতে তার জমির পরিমাণ, পশুর হাটের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং তাকে ঘিরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে গাবতলীতে এক দাগে ১০০ বিঘার বেশি জমি থাকার দাবির সমর্থনে কোনো স্বাধীন সরকারি নথি বা দলিল প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। তাই জমির পরিমাণসংক্রান্ত তথ্যটি আপাতত ডিপজলের নিজের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
গাবতলী পশুর হাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে ডিপজলের নাম। ২০২৪ সালে বাংলা ১৪৩১ সনের হাটের ইজারার দরপত্রে তিনি সর্বোচ্চ ১৭ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা দর দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলেও পরবর্তী সময়ে আদালতের সিদ্ধান্তে ইজারা বহাল থাকে।
২০২৫ সালেও গাবতলী পশুর হাটকে ঘিরে ডিপজলকে নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বছর হাটে এক নারীকে মারধর ও এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। পরে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এর আগে ২০২৬ সালের জুনে গাবতলীতে জেলা পরিষদের জমি দখলে রাখার অভিযোগে ডিপজলকে জরিমানা করার খবরও প্রকাশ্যে আসে।
এমন একাধিক ঘটনা ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তার সাম্প্রতিক বক্তব্য আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য এবং জমির পরিমাণসংক্রান্ত দাবি আলাদা বিষয়—কোনোটিকেই স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
































