মিশুক মুনীর অ্যাওয়ার্ড পেলেন চিত্রগ্রাহক পলাশ

মিশুক মুনীর অ্যাওয়ার্ড পেলেন চিত্রগ্রাহক পলাশ ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক

Published : ১২:০৯, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে প্রয়াত আলোকচিত্রী ও সম্প্রচার সাংবাদিক মিশুক মুনীরকে স্মরণ করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছে ‘মিশুক মুনীর মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। এবারের পুরস্কার পেয়েছেন চিত্রগ্রাহক বরকত হোসেন পলাশ।

‘নকশী কাঁথার জমিন’ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের জন্য পলাশকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। শনিবার সন্ধ্যার আয়োজনে তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও এক লাখ টাকার পুরস্কার তুলে দেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবুল খায়ের।

লিলি-মুনীর মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ও মিশুক মুনীরের পরিবারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রগ্রাহক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ত্রপা মজুমদার।

পরে মিশুক মুনীরের জীবন, আলোকচর্চা এবং নির্মাতা তারেক মাসুদের সঙ্গে তার দীর্ঘ কর্মসম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে মিশুক মুনীরকে ঘিরে নিজেদের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সাংবাদিক কুর্‌রাতুল-আইন-তাহ্‌মিনা, নির্মাতা আকা রেজা গালিবসহ অন্যরা।

জুরি সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় তাদের পক্ষ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত হিসেবে বরকত হোসেন পলাশের নাম ঘোষণা করেন আসিফ মুনীর।

পুরস্কার গ্রহণের সময় মিশুক মুনীরের সঙ্গে নিজের একমাত্র সাক্ষাতের স্মৃতিও জানান পলাশ। তিনি বলেন, ‘রানওয়ে’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় দূর থেকে একবার মিশুক মুনীরকে দেখেছিলেন তিনি। তখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

স্বীকৃতির জন্য আয়োজকদের ও জুরি সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে পলাশ বলেন, এই পুরস্কার তাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র ও ওয়েব কনটেন্টে চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করছেন বরকত হোসেন পলাশ। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘সাবা’, ‘প্রিয় মালতী’, ‘নকশী কাঁথার জমিন’, ‘পাপ পুণ্য’ ও ‘জালালের গল্প’। ওয়েব কনটেন্টের মধ্যে ‘তাকদীর’, ‘কারাগার’ ও ‘মহানগর’-এর মতো আলোচিত কাজেও তিনি চিত্রগ্রাহক হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

বাংলাদেশের আধুনিক সম্প্রচার সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা মিশুক মুনীর ২০১১ সালে ‘কাগজের ফুল’ চলচ্চিত্রের লোকেশন দেখে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তার স্মৃতি ও কর্মের উত্তরাধিকার ধরে রাখতে ২০২৩ সালে চালু করা হয় ‘মিশুক মুনীর মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement