যেভাবে করবেন মোবাইল হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন

যেভাবে করবেন মোবাইল হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৩:৪৯, ৩ জানুয়ারি ২০২৬

টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ করতে দেশে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম।

এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনহীন কিংবা আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহার কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।

এনইআইআর চালুর ফলে কোনো গ্রাহক যদি আগে থেকে নিবন্ধিত একটি মোবাইল ফোন বিক্রি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করতে চান, তাহলে সেই হ্যান্ডসেটটি ব্যবহারকারীর নামে নিবন্ধন মুক্ত বা ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে ফোনটি নতুন ব্যবহারকারীর জন্য কার্যকর হবে না।

ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হলে গ্রাহকের নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সক্রিয় সিম ফোনে থাকতে হবে। পাশাপাশি যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চারটি সংখ্যা প্রদান করতে হবে।

নিবন্ধিত মোবাইল ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এখন থেকে এই নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে চারটি নির্ধারিত মাধ্যমে—
১. সিটিজেন পোর্টাল
২. মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও) পোর্টাল
৩. নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপস
৪. ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, যে সিমটি ফোনে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি অবশ্যই গ্রাহকের নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যথায় ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না। আর যদি কোনো হ্যান্ডসেটে ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর শনাক্ত হয়, তাহলে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে ফোনটির পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর সিস্টেম চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের আপত্তি ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে সময় বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর সিস্টেম চালু করা হয়।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement