দিল্লিতে বিক্ষোভে যাওয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আটক
Published : ১১:২৮, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে গুরুগ্রাম পুলিশ। পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির জন্তর মন্তরে নির্ধারিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসন এলাকায় ধ্রুব রাঠির বাসভবনে পৌঁছান পুলিশের একাধিক দল। এর আগে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাঁকে দিল্লিতে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। নির্দেশ অমান্য করে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লিতে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চার শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেট স্টেশন।
এ ছাড়া শনিবার সকাল ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকা ২৫০টির বেশি দূরপাল্লার ও স্থানীয় ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টা থেকে জনপথ–কর্তব্য পথ মোড়ের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ২৪ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।
গত ২০ জুলাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় দিল্লিতে বিশৃঙ্খলা ও পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আগের ঘটনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এবার নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।
তবে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক জানিয়েছেন, বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকেরা জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, বিক্ষোভের কারণে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা দেখিয়ে যখন কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তখন মেট্রো, ট্রেন বন্ধ ও সড়কে বিধিনিষেধ আরোপও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কি না।





























