দুধ ও ডিমের সমন্বয়ে তৈরি পুডিং ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও নানা ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস। সে কারণে সকালের নাশতায় এটি রাখলে শরীরের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকার পাওয়া যায়।
তবে পুডিং থেকে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য উপকার পেতে হলে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করা জরুরি। অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক ফল বা স্বাভাবিক মিষ্টি উপাদান দিয়ে স্বাদ বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি ফ্যাট ফ্রি দুধ কিংবা উদ্ভিদভিত্তিক দুধ ব্যবহার করলে পুডিং আরও স্বাস্থ্যকর হয়। পুষ্টিমান বাড়াতে এতে বাদাম, চিয়া সিড, সাগু বা অনুরূপ উপকারী উপাদান যোগ করা যেতে পারে।
উপকারিতা
চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে পুডিং খাওয়ার রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা—
১. হাড় ও পেশী গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে, যা শারীরিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২. সহজে হজম হয় এবং শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়।
৩. পুডিংয়ে বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান যোগ করলে এটি ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি, বি₂সহ নানা ভিটামিনের ভালো উৎসে পরিণত হয়।
৪. বিভিন্ন ফল মিশিয়ে তৈরি করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হয়।
৫. নরম ও মসৃণ হওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের জন্য সহজপাচ্য খাবার।
৬. এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, ফলে এটি স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট হিসেবেও কার্যকর।
৭. বাদামসহ প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ করলে শিশুদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পরামর্শ
পুডিংয়ের প্রকৃত স্বাস্থ্য উপকার পেতে হলে ঘরেই তৈরি করা সবচেয়ে নিরাপদ। দোকান বা বাইরে তৈরি পুডিংয়ে অনেক সময় কৃত্রিম রং ও অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।


































