জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৯:৪৬, ১৯ জুন ২০২৬

প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতারকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, একটি দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে এবং সাঁতারকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এসব ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এতে মাদকাসক্তি ও অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো সামাজিক সমস্যাও কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তারেক রহমান বলেন, জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দলগত চেতনা গড়ে তুলতেও খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এ বছর দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে বালক ও বালিকা বিভাগ মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী ও ম্যাচ সংখ্যার বিচারে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল টুর্নামেন্টগুলোর অন্যতম।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী শিশুরাই ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম আরও বৃদ্ধি করবে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement