রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর

রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেক্স

Published : ১১:৩৭, ২০ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) তিনি ছয় দিনের সফরে ঢাকা ছাড়বেন। সফরের প্রথম অংশে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করবেন তিনি। ২৩ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত চীনে অবস্থান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

কূটনৈতিক মহলে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া সফরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বাংলাদেশি শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফর করবেন তারেক রহমান। সফরকালে দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ স্বাক্ষরিত হতে পারে।

রোববার দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার এবং হালাল পণ্য রপ্তানিসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে স্থবির থাকা এ খাত পুনরায় সচল করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সফরটি নিয়ে আশাবাদী। তাদের প্রত্যাশা, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা, সিন্ডিকেটমুক্ত কর্মী পাঠানো এবং অনিয়মিত কর্মীদের বৈধতার বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রবাসী কমিউনিটি নেতা কাজী সালাহউদ্দিন বলেন, এই সফর শুধু কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি বড় সুযোগ।

এদিকে মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং স্কলারশিপ সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন।

ব্যবসায়ী মহল মনে করছে, সফরের মাধ্যমে হালাল শিল্প, প্রযুক্তি, কৃষি ও উৎপাদন খাতে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement