শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন

শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেক্স

Published : ১৩:১৪, ২০ জুন ২০২৬

রাজধানীর রামপুরায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুন দুপুরে রামপুরার বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের বিপরীতে নিজ বাসার কাছে পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। পলাশের মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলায় জিসান আহমেদ মন্টিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা, গলদা বাদশা, শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত, সোলাইমান খন্দকার, ফারুক ওরফে চাচা ফারুক, হেবেল, মোল্লা জনি, ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা, পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনকেও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে পলাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে নেমে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে ইমাম হোসেন নামে একজন হামলার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে র‍্যাব ফেরদৌস নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ রাজধানীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাসহ অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে।

হামলার পেছনে আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার, নাকি পুরোনো বিরোধ কাজ করেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement