পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৩:১০, ৩ আগস্ট ২০২৬

দেশকে পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য রাখতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শুধু সরকারের উদ্যোগে নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই আবর্জনামুক্ত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীর উদ্দেশে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শুরুতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা এমন একটি বিষয়, যা সমাজের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের পরিবেশ রক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা এমনকি অনেক গ্রামাঞ্চলেও রাস্তার পাশে, বাজার, পুকুরপাড় ও জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিকের বোতল, টিস্যু, খাবারের প্যাকেটসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েক দশক আগের তুলনায় এ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ নিজের বাড়ির আশপাশ অপরিচ্ছন্ন রাখতে চান না। তাই দেশের পরিবেশকেও নিজের বাড়ির মতো যত্ন নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার কারণে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশ দূষণ বাড়ে। তাই ব্যবহৃত প্লাস্টিক, টিস্যু, প্যাকেটসহ সব ধরনের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন পার্ক, পুকুরপাড় ও বিনোদনকেন্দ্র পরিচ্ছন্নতার অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব স্থানে বেড়াতে গিয়ে খাবারের মোড়ক বা অন্যান্য বর্জ্য ফেলে না রেখে নির্দিষ্ট স্থানে ফেললে সবাই একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামান্য সচেতন হন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণ করেন, তাহলে ধীরে ধীরে একটি পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, “দেশটা আমাদের সবার। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

ভিডিও বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, একটি পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement