ঈদকে সার্বজনীন করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে-ড. মুহাম্মদ রেজাউর করিম

ঈদকে সার্বজনীন করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে-ড. মুহাম্মদ রেজাউর করিম ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২০:৫৫, ৭ মার্চ ২০২৬

সমাজের সিংহভাগ মানুষ সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত; তাই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঈদকে আনন্দঘন ও সার্বজনীন করতে সকল রাজনৈতিক দল সহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি আজ লক্ষীপুর জেলার কুশাখালী ইউনিয়নের শান্তিরহাটে আয়োজিত ‘ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন আমির শফিক উল্লাহ, সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাতসহ প্রমূখ। প্রায় ৬ শতাধিক পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ড. রেজাউল করিম বলেন, মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত ও সামাজিক জীব। তাই আমরা পরষ্পরের ওপর নির্ভরশীল। একে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। তাই সামাজিক জীবনে পারস্পরিক সাহায্য ও সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য আমাদেরকে বিশেষভাবে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

পবিত্র কালামে হাকীমে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা সৎ কর্ম ও আল্লাহ ভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমা লঙ্ঘের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’। (সূরা আল মায়েদা) হাদিসে রাসূল (সা.) এসেছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদেরকে ততক্ষণ পর্যন্ত সাহায্য করতে থাকেন যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে।

(সহীহ মুসলিম) তাই আমাদেরকে আর্ত-মানবতার কল্যণে কাজ করে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভ করতে হবে। তিনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দুর্দশা লাঘবে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের রহমতের প্রথম দশক শেষ হয়ে মাগফিরাতের দ্বিতীয় দশক চলছে।

মূলত, রমজান মাস হলো আত্মশুদ্ধি ও গোনাহ মাফের মাস। তাই আমাদের আত্মসমালোচনার করার সময় এসেছে যে, আমরা রমজান মাসের হক যথাযথভাবে আদায় করতে পারছি না। তিনি আসন্ন ঈদের কথা স্মরণ করে বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও দারিদ্রতা ও উচ্চমূল্যের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঈদের উচ্ছাস খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

তাই সমাজের সুবিধা জনগোষ্ঠীকে ঈদের আনন্দের আওতাভূক্ত করতে আমাদের এ উদ্যোগ। গণমানুষের জন্য আমাদের এ কল্যাণকামীতা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে-ইনআল্লাহ। তিনি ঈদকে সার্বজনীন করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধ্যমত ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement