আগামী বছরের শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, নিরপেক্ষতার আশ্বাস স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
Published : ২৩:৫৪, ২২ জুলাই ২০২৬
আগামী বছরের প্রথমদিকে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বিশেষ সুবিধা পাবেন না। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী কিংবা অন্য কোনো দলের পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বাড়তি সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যদের জনগণের সমর্থন ও ভালোবাসা অর্জন করেই নির্বাচিত হতে হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোও শক্তিশালী হবে। স্বাধীনতার পর থেকেই একটি কার্যকর ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রত্যাশা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখারও আহ্বান জানান তিনি। ধর্মের নামে সমাজে নতুন করে বিভাজন সৃষ্টি করা দেশের জন্য কল্যাণকর নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজের ধর্মের প্রতি বিশ্বাস বজায় রাখার পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও সমান সম্মান দেখাতে হবে।
তিনি বলেন, “ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার।” তাই ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক বিভাজনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও অতীতের নির্বাচন নিয়েও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার ওপরই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।
































