স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন না: ইসির সুপারিশ
Published : ০৩:১৬, ২২ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পে-অর্ডারভুক্ত) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বাতিলের সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের প্রস্তাব সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-সংক্রান্ত আইনের যোগ্যতা-সংক্রান্ত ধারায় সংশোধন আনা হবে। সংশোধনী কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক বা কর্মচারী চাকরিতে বহাল থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে আগে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও আধা-সরকারি সুবিধাভোগী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মরত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠন। তাদের দাবি, শিক্ষকরা নাগরিক হিসেবে সাংবিধানিক রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করেন। চাকরি ছাড়ার শর্ত আরোপ করলে তা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার সীমিত করবে এবং স্থানীয় সরকারে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিরুৎসাহিত করবে।
আইন মন্ত্রণালয় ও সরকারের অনুমোদনের পর সংশোধনী চূড়ান্ত হলে তা কার্যকর হবে। এর আগে বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন।


































