ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
Published : ২০:০৫, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি ও প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অপর চার আসামিরা হলেন— ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আমবারীন রেজা (৪০), কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী (৪৬), পান্ডামার্ট-এর পরিচালক মো. তাবরেজ খান (৪০), হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক (৪৫) এবং সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক (৪২)।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম গ্রেপ্তারি পরোয়ান1 জারির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ মামলাগুলোর তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলে। এরপর আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) নামক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছর (৩ জুলাই) এই মামলাগুলো দায়ের করেন。
বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তি করে দেশীয় ও আমদানিকৃত ফলমূল ও সবজি সরবরাহ শুরু করেন তিনি। শুরুর দিকে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন। বাদীর ১ লাখ টাকার কেনাকাটার আদেশের বিপরীতে ব্যাংকে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকার মতো নগণ্য পরিমাণ অর্থ জমা দেওয়া হতো। এছাড়া, ভুয়া ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ব্যবহার করে এবং একই দিনে একাধিক স্থানে ভুয়া ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরি করে পণ্য ফেরত দেখানোর অজুহাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রাখা হয়।
এসব জালিয়াতির মাধ্যমে ফুডপান্ডার শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।


































