৬২ বছর পর শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে রুনা লায়লার আবেগঘন প্রত্যাবর্তন
Published : ০১:৪৩, ২৫ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘ ৬২ বছর পর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে একক সংগীতানুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। একই সঙ্গে তাঁর অসামান্য সংগীত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে তাঁকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’ শীর্ষক এই একক সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয় বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের সহায়তার উদ্দেশ্যে। অনুষ্ঠানে রুনা লায়লা তাঁর জনপ্রিয় ও কালজয়ী ১০টি গান পরিবেশন করেন, যা উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।
৭৪ বছর বয়সেও তাঁর প্রাণবন্ত পরিবেশনা, কণ্ঠের সাবলীলতা এবং সুরের মাধুর্য দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের মুখে উচ্চারিত হয়—‘রুনা লায়লার তুলনা রুনা লায়লাই।’
দেশাত্মবোধক গান দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন এই বরেণ্য শিল্পী। এরপর ধারাবাহিকভাবে তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে তিনি প্রমাণ করেন, সংগীত শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানবিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও দেশপ্রেমের এক শক্তিশালী প্রকাশ।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার ৫৪ বছরের ইতিহাসে এটি ছিল রুনা লায়লার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান। তবে শিল্পীর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ৬২ বছর পর তিনি আবারও শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে গান পরিবেশন করলেন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ ফাতেমা।
নাট্যব্যক্তিত্ব আফজাল হোসেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন। মিলনায়তনের ভেতর ও বাইরে কানায় কানায় পূর্ণ দর্শকসমাগমে প্রতিটি গান শেষে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন, আর প্রশংসায় সিক্ত হন উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী।































