ভাঙচুরে লণ্ডভণ্ড সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও, ‘থামিয়ে দেওয়া যাবে না

ভাঙচুরে লণ্ডভণ্ড সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও, ‘থামিয়ে দেওয়া যাবে না ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক

Published : ১১:১০, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন না। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

গত শনিবার রাত ১০টার দিকে ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তবে সালমান জানিয়েছেন, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা দাবি করেনি। পুলিশ ও অন্যদের কাছ থেকেই তিনি এ বিষয়ে জানতে পেরেছেন।

স্টুডিওতে হামলার পর সেখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা যায়। ভেঙে ফেলা হয়েছে কাঁচের দরজা-জানালা। মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে বিভিন্ন সরঞ্জাম ও কাগজপত্র। উল্টে রয়েছে সোফা ও আসবাবপত্র। বাদ্যযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্টুডিওতে রাখা ইউটিউবের গোল্ডেন প্লে বাটনও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

রোববার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালমান মুক্তাদির। হামলার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার ওপর তার আস্থার বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

চাঁদা দাবির বিষয়ে সালমান বলেন, কেউ তাকে সরাসরি চাঁদা চায়নি। বিষয়টি তিনি অন্যদের কাছ থেকে শুনেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদা দাবি করা হলে পরিস্থিতি ও সামর্থ্য বিবেচনায় তিনি অর্থ দেওয়ার বিষয়টি ভাবতেন।

ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট আর্থিক পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করতে পারেননি সালমান। তিনি জানান, স্টুডিওতে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাজের ফুটেজ, সরঞ্জাম ও অন্যান্য উপকরণ ছিল। সেখানে একাধিক ক্লায়েন্টের শুটিং ও প্রোডাকশনের কাজ চলত। এসব সম্পদের ক্ষতি এবং চলমান কাজের ওপর প্রভাব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হতে পারে বলে জানান তিনি।

তবে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিজের সৃজনশীল কাজ থামিয়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন সালমান মুক্তাদির। তার বক্তব্য, স্টুডিওর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এই ঘটনা তাকে কাজ থেকে পিছিয়ে দেবে না।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয়, হামলার কারণ এবং চাঁদা দাবির অভিযোগের সত্যতা—এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের ফল এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement