গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও কেন রানার্সআপের বিপক্ষে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা?
Published : ১৯:২৫, ২৬ জুন ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নতুন ফরম্যাট চালুর ফলে নকআউট পর্বের সূচি ও প্রতিপক্ষ নির্ধারণের নিয়মেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগের বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় এবার শেষ ৩২-এর লড়াইয়ের কাঠামো ভিন্ন হওয়ায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে একটি বিষয়—গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া সত্ত্বেও কেন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে রানার্সআপ দলের বিপক্ষে খেলতে হচ্ছে, অথচ অন্য কিছু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন খেলছে সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলের বিপক্ষে?
নতুন ফরম্যাটে ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলও নকআউট পর্বে জায়গা পাচ্ছে। তবে কোন তৃতীয় স্থানধারী দল কোন গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে খেলবে, তা ফলাফলের ভিত্তিতে নয়; ফিফার আগেই নির্ধারিত ব্র্যাকেট অনুযায়ী ঠিক করা হয়েছে।
ফিফার সূচি অনুযায়ী, ‘এ’, ‘বি’, ‘ডি’, ‘ই’, ‘জি’, ‘আই’, ‘কে’ ও ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলোর বিপক্ষে খেলবে। অন্যদিকে ‘সি’, ‘এফ’, ‘এইচ’ ও ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ হবে অন্য গ্রুপের রানার্সআপ দল।
এই কারণেই গ্রুপ ‘সি’-এর চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে শেষ ৩২-এ খেলতে হবে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ জাপানের বিপক্ষে। একইভাবে গ্রুপ ‘জে’-এর চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ ‘এইচ’-এর রানার্সআপ দল।
ফিফার এই পূর্বনির্ধারিত ব্র্যাকেটের উদ্দেশ্য হলো নকআউট পর্বে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখা। একই গ্রুপের দলগুলো যেন দ্রুত আবার মুখোমুখি না হয় এবং শীর্ষ দলগুলোও যেন টুর্নামেন্টের শুরুতেই একে অপরের বিপক্ষে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া মানেই যে সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলের বিপক্ষে খেলতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। কোন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন কাকে পাবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে ফিফার পূর্বনির্ধারিত নকআউট সূচির ওপর।

































