মারধর করে পুলিশে দেওয়া তিতুমীর ছাত্র সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে
Published : ২১:১১, ২৬ জুন ২০২৬
তিতুমীর কলেজের ইনকোর্স পরীক্ষা শেষে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে মারধরের শিকার হয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া নাজিম উদ দৌলাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে ‘সন্দিগ্ধ আসামি’ হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। নাজিমের পক্ষে করা জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেন আদালত।
নাজিম উদ দৌলা কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাসিন্দা এবং তিতুমীর কলেজের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি গাজীপুরে বসবাস করেন।
আদালতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নাজিম দাবি করেন, ‘ছাত্রলীগ সন্দেহে ছাত্রদল আমাকে আটক করে। প্রচণ্ড মারধর করে। অণ্ডকোষে আঘাত করে। এরপর পুলিশের কাছে তুলে দেয়।’
তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, ইনকোর্স পরীক্ষা শেষে কলেজ থেকে বের হওয়ার সময় একদল ব্যক্তি নাজিমকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।
তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন আদালতে জানান, তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্ররা নাজিমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর বনানীর ৬ ও ১১ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একটি মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নাজিমকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

































