বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠনের ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, জানাল ভারত

বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠনের ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, জানাল ভারত ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৯:৫০, ২৬ জুন ২০২৬

নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর হয়ে ভারতে চরমপন্থি কার্যক্রম পরিচালনা ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)।

শুক্রবার (২৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এনআইএ জানিয়েছে, জেএমবির কথিত নতুন শাখা ‘ইমাম মাহমুদের কাফিলা’ (আইএমকে)-এর মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় উগ্রপন্থি মতাদর্শ প্রচার, তরুণদের চরমপন্থায় উদ্বুদ্ধ করা এবং সংগঠনটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গুয়াহাটির বিশেষ এনআইএ আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর বিভিন্ন ধারা এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর আওতায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এনআইএর তদন্তে দাবি করা হয়েছে, আইএমকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে জেএমবির আদর্শ ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় ছিল। এ কার্যক্রমের মধ্যে উগ্রপন্থি মতাদর্শ প্রচার, তরুণদের চরমপন্থায় উদ্বুদ্ধ করা এবং সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, জেএমবির জ্যেষ্ঠ সদস্য ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ ভারতে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে আইএমকে গঠন করেছিলেন।

এনআইএর দাবি, অভিযুক্তরা গোপন বৈঠক, ধর্মীয় দীক্ষা কর্মসূচি, উগ্রপন্থি সাহিত্য বিতরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভারতবিরোধী প্রচারণার মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম বিস্তারের চেষ্টা করেছেন।

চার্জশিটে নাসিমুদ্দিন ও জাগির মিয়াকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এনআইএর ভাষ্য অনুযায়ী, নাসিমুদ্দিন আসামে এবং জাগির মিয়া ত্রিপুরায় আইএমকের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালে অভিযুক্তদের কাছ থেকে বিভিন্ন আপত্তিকর নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত জব্দ করা হয়েছে। এসব আলামতই অভিযোগপত্রের ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement