বাংলাদেশে ব্যতিক্রমধর্মী মনোরম ক্যাম্পাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
Published : ১১:১৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও অত্যন্ত মনোরম পরিবেশের ক্যাম্পাস, যার সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের প্রথম ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক প্রথম কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তিনি প্রকৃতির মাঝে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি পেয়েছেন। বিশাল এলাকা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ ক্যাম্পাসকে তিনি একটি পাহাড়ি রিসোর্টের সঙ্গে তুলনা করেন।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বন্যপ্রাণী ও পাখির তালিকা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই অনন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও গবেষণায় কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে “নেক্সট লেভেলে” নিয়ে যেতে পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান এবং বলেন, এটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়ার সক্ষমতা রাখে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। এছাড়াও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, অদুল-অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অদুল কান্তি চৌধুরী এবং কো-চেয়ারম্যান অনিতা চৌধুরী।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ২০১৯ সালে অদুল-অনিতা ট্রাস্টের অর্থায়নে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’টি দেশের প্রথম এবং একমাত্র এ ধরনের মন্দির হিসেবে বিবেচিত।



































