বসুন্ধরায় পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার গ্রেপ্তার

বসুন্ধরায় পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৪:৫৬, ১৯ আগস্ট ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

এ সময় তার প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তিনি এতে বাধা দেননি এবং এ থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে গ্রাহকদের কাছে এসব ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করা হতো।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুমাইয়া কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কথিত এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বাবা মো. আবু সাঈদ এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং এতে বাধা না দিয়ে কথিতভাবে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তে আরও তথ্য বের করা এবং পলাতক সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement