দেবীগঞ্জে নারীকে মারধর করে চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ
Published : ২০:৪৯, ১৩ আগস্ট ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক নারীকে (৩৯) মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে মামলাটি করা হয়। পুলিশ এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে ওই নারী দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবদুল হক (৫০), সুজন ইসলাম (১৯) ও চাঁন মিয়া (৩২)। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুন ওই নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেন। গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে দেবীগঞ্জ উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই নারীর বর্তমান স্বামীর প্রথম পক্ষের স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনেরা তাঁর ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাঁকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বিয়ের কাগজপত্র ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে ব্লেড ও কাঁচি দিয়ে ওই নারীর মাথার চুলের কিছু অংশ কেটে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, হামলাকারীরা তাঁদের বিয়ের কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন। আদালতে করা বিয়ের এফিডেভিট এবং তাঁর স্ত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কাগজপত্র দেখানোর পর সেগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়।
তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় বিয়ের আগে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেওয়া হয়নি।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, নারীকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





























