পাহাড়ে সহিংসতা: তদন্ত কমিটির চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু
Published : ১১:২৮, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায় সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ শুরু হয়েছে। কারণ অনুসন্ধানে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
খাগড়াছড়িতে দীঘিনালার লারমা স্কয়ার এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ নূরল্লাহ নূরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি।
কমিটির সদস্যরা সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালেই এলাকাটি পরিদর্শনে যান। এর আগে, রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে কমিটির সদস্যরা খাগড়াছড়ি জেলা সদরের নারানখাইয়া ও স্বর্নিভর এলাকা পরিদর্শন শেষে সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলেন।
তারা ক্ষতিগ্রস্ত, প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকসহ সবার সাথে কথা বলে ঘটনার কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করবেন বলে জানান তদন্ত কমিটির প্রধান।
উল্লেখ, গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের নোয়াপাড়া এলাকায় মো. মামুন নামে এক যুবককে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে গণপিটুনির মুখে তিনি পালিয়ে যাওয়ার সময় বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খাগড়ছড়ি জেলা সদরে দুজন, দীঘিনালায় দুজন ও রাঙ্গামাটিতে একজন নিহত হন। সেই সঙ্গে শতাধিক দোকানপাটে আগুন ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
সহিংসতার পরদিন অন্তবর্তীকালীন সরকারের তিন উপদেষ্টা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায সফর করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিশিষ্টজন ও সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।
গত বৃস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সহিংসতার কারণ উদঘাটনে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে (উন্নয়ন) আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম। এ কমিটিকে দুসপ্তাহের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তপূর্বক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের তিন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও তিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
বিডি/এন
































