মামলা জট কমাতে লিগ্যাল এইডকে আরও কার্যকর করতে হবে: আইনমন্ত্রী
Published : ০১:২৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিশাল মামলা জট কমাতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা জরুরি।
আজ জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়াম-এ এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়া মানুষের মৌলিক ও সহজাত অধিকার। সরকার চায় লিগ্যাল এইড কর্মসূচি দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক, যাতে কেউ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন।
তিনি জানান, বাংলাদেশে লিগ্যাল এইডের ধারণা প্রথম চালু হয় ১৯৯৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর উদ্যোগে। সে সময় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের আইনি সহায়তার জন্য একটি তহবিল গঠন করা হয়। বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।
বিচার বিভাগের বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে বিচার বিভাগের জন্য প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বাজেট বৃদ্ধি প্রয়োজন এবং এ বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ন্যায়বিচার প্রাপ্তিকে সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সিনিয়র আইনজীবীদের লিগ্যাল এইড কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এ কার্যক্রমের প্রচার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কাজী জিনাত হক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, আইনজীবী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
































