বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, ভেন্টিলেটরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টিয়া
Published : ১২:২০, ৩ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যু হয়নি দণ্ডিত আসামি ক্রিস্টিয়া পাইকের। ইনজেকশন প্রয়োগের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নাসভিলের একটি হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেটরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ অক্টোবর) আদালতে জমা দেওয়া লিখিত নথিতে ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা তার শারীরিক অবস্থার বিষয়টি জানান। তাদের দাবি, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় ক্রিস্টিয়ার শরীরে পেনটোবারবিটাল প্রয়োগ করা হয়েছিল। বর্তমানে চিকিৎসকেরা তার শরীর থেকে ওই ওষুধের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছেন।
আইনজীবীরা জানান, বুধবার রাতে ইনজেকশন দেওয়ার পর ক্রিস্টিয়া তাৎক্ষণিকভাবে মারা যাননি। বরং দীর্ঘ সময় তিনি ছটফট করেন, কাঁদেন এবং জোরে শ্বাস নিতে থাকেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি।
১৯৯৫ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার ঘটনায় ক্রিস্টিয়া পাইক দোষী সাব্যস্ত হন। হত্যাকাণ্ডের সময় ক্রিস্টিয়ার বয়স ছিল ১৮ বছর এবং স্লেমারের বয়স ১৯। তৎকালীন প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানোর অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
প্রায় ৩২ বছর কারাগারে থাকার পর চলতি সপ্তাহে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ইনজেকশন প্রয়োগের পরও মৃত্যু না হওয়ায় কার্যকর প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হয় এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এদিকে ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা তার মৃত্যুদণ্ড ক্ষমা করার আবেদন জানাচ্ছেন। তাদের যুক্তি, তিনি ইতোমধ্যে দীর্ঘ সময় কারাগারে শাস্তি ভোগ করেছেন। তাই মৃত্যুদণ্ড আর কার্যকর না করে তার সাজা ক্ষমা করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ক্রিস্টিয়া পাইকের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।































