জনগণের প্রত্যাশা ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়ন: অর্থমন্ত্রী
Published : ১৬:৫৯, ১১ জুন ২০২৬
জাতীয় আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবারের বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হচ্ছে। ফলে এ বাজেটকে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বিবেচনায় রেখেই বাজেটের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যেই সরকারকে বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। তবে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, দেশের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং উন্নয়নের সুফল সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, এবারের বাজেটের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন। বিশেষ করে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর মতে, একটি কল্যাণমুখী ও অংশগ্রহণভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি শক্তিশালী করতেই নতুন অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।



































