প্রতিটি মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য
Published : ১৬:১২, ১৭ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম তুলে ধরে সালেহ শিবলী বলেন, সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকারের প্রথম ১০০ দিনকে ‘হানিমুন পিরিয়ড’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এটি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো বিষয় নয়। সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং এর প্রাথমিক ফল পেতে অন্তত ছয় মাস সময় প্রয়োজন।
তিনি বলেন, জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতেই ১৮০ দিনের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সালেহ শিবলী দাবি করেন, বর্তমান সরকার তোষামোদ ও বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেছে। অতীতে মঞ্চে উঠে দীর্ঘ সময় ধরে বন্দনা করার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল, সরকার তা থেকে সরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ইশতেহারের প্রতিটি দফা ধরে ধরে বাস্তবায়নের কাজ চলছে। অতীতে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো এভাবে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের নজির দেখা যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনকে সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, অতীতে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় সরাসরি সরকারের না থাকলেও জবাবদিহিতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে শোকাহত পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। যেখানে রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের যেমন দায়িত্ব থাকবে, তেমনি নাগরিকের প্রতিও রাষ্ট্রের সমান দায়বদ্ধতা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে চলার বিষয়টিও তুলে ধরেন সালেহ শিবলী। তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রপ্রধান সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করা এবং নিজেকে জনগণের থেকে আলাদা না ভাবা নতুন বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিফলন।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বক্তব্য দেন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা।
অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক নেতা এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






























