তারেক রহমান বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন: মঈন খান

তারেক রহমান বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন: মঈন খান ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি প্রতিবেদক

Published : ১৯:২১, ২২ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে দেশের হাল ধরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত আছেন। এসব সমস্যা দূর করে দেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন তিনি।

দেশের প্রথম ক্রান্তিকালের প্রসঙ্গ টেনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটি রাজনৈতিক দল ব্যর্থ হয়েছিল। সে সময় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, বিএনপি মানুষের অধিকারে বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল। গত ১৭ বছর দলটি রাজপথে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে ছাত্র-জনতা রাজপথে নামলে বিএনপিও তাদের পাশে ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়।

মঈন খান বলেন, পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে, যা গত ২০ বছরে দেশে হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে এবং সেই সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারে পরিবর্তনকে একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের কল্যাণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার পরিচালনায় কিছু পরিবর্তন এনেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

এ সময় ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নবনিযুক্ত আরও চারজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement