এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ
Published : ২০:৩৩, ২২ আগস্ট ২০২৬
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ পৌঁছানোর পর মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ‘ফ্লেক্স কারেজেস’ নামের জাহাজটি মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে নোঙর করে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজি নিয়ে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামেরন বন্দর থেকে এসেছে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে নতুন জাহাজের এলএনজি টার্মিনালে যুক্ত হওয়ার পর এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ আরও বাড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে সাময়িক এলএনজি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
নতুন জাহাজ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার আগেই শনিবার দুপুর থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা শুরু হয়। টার্মিনালে আগে মজুত থাকা এলএনজি ব্যবহার করে এ সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, মহেশখালীতে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেও প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দুটি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।
আরপিজিসিএলের এক কর্মকর্তা জানান, দুটি টার্মিনাল থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেতে রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে শনিবার রাতেই সরবরাহ ৮০০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে।
গত ২১ এপ্রিল এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের বয়লারে আগুন লাগার পর এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর টার্মিনালটি সচল হলেও পরে এলএনজি সংকটের কারণে সরবরাহে আবারও সমস্যা তৈরি হয়। একই সময়ে এলএনজি সংকটের কারণে সামিটের ভাসমান টার্মিনালও বন্ধ ছিল।
সংশ্লিষ্টদের আশা, রোববার থেকে দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে জাতীয় গ্রিডের সরবরাহ পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। দুই টার্মিনাল মিলিয়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।































