বাংলাদেশ-চীন সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারে ঐকমত্য
Published : ১৫:১০, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাইবার নিরাপত্তা রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে একমত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তাঁরা দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
সাক্ষাৎকালে চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একশটির বেশি সদস্যকে সাইবার অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা রক্ষা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন ও শান্তিরক্ষা মিশন সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুলিশে একটি বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং থানা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব স্থাপনের সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সিআইডি প্রধানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে খুব শীঘ্রই চীন সফর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চীনের অত্যাধুনিক সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পরিদর্শনের মাধ্যমে ওই প্রতিনিধি দলটি দেশে মানসম্মত ফরেনসিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রস্তুত করবে।
চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কৌশলগত অংশীদারত্ব
বৈঠকে বাংলাদেশে কর্মরত চীনা নাগরিক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশেষ অনুরোধ জানান রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও উন্নয়ন অংশীদার। তাই বাংলাদেশে অবস্থানরত সকল চীনা নাগরিক ও প্রকল্পকর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির এবং অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
































