মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
Published : ১৫:১৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির চাপ সামলাতে বাধ্য হয়েই দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান এবং সাম্প্রতিক এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের পোহাতে হওয়া দুর্ভোগের জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় বা বৃদ্ধি না করলে সরকারের পক্ষে দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ত। বিশেষ করে, সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতায় দরিদ্র মানুষের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন সহায়তা কার্ড এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রমের মতো জনকল্যাণমূলক কাজগুলো অর্থসংকটে বন্ধ হয়ে যেত।
দেশের গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর এই জরুরি সেবাগুলো সচল রাখাই ছিল সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। সরকারের এই কঠিন ও অনভিপ্রেত সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষ ইতিবাচকভাবে মেনে নেবে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সুযোগ নিয়ে পরিবহন খরচ বা বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে কেউ অযৌক্তিকভাবে বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট খুব দ্রুত কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম পুনরায় কমিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে, এমনকি পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আরও কমানো হতে পারে।
































