প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৭৭৮ জনের নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ জামায়াতের

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৭৭৮ জনের নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ জামায়াতের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো। ছবি: অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে

বিজনেস ডেইলি প্রতিবেদক

Published : ১০:৩৮, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও শত শত প্রার্থীর নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কোনো প্রার্থী অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়ে থাকলে দ্রুত তাঁর নিয়োগ নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে দলটি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এ প্রতিবাদ জানান। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতেও তাঁর একই বক্তব্যের কথা এসেছে।

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ২৭টি জেলায় অন্তত ৭৭৮ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অনেক প্রার্থী ভেরিফিকেশনের নামে অন্যায্যভাবে বাদ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর কোন আইন, মানদণ্ড বা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে তাদের বাদ দেওয়া হলো।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, রাজনৈতিক বা পারিবারিক পরিচয় কোনোভাবেই মেধা ও যোগ্যতার বিকল্প হতে পারে না। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে কারা বাদ পড়েছেন, কেন বাদ পড়েছেন এবং কোন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বাদ পড়েছেন—তা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি অবিলম্বে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানান। পাশাপাশি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান।

তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে এবং কিছু এলাকায় তা পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে। নতুন করে ভেরিফিকেশনের কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়েছেন—এমন আনুষ্ঠানিক তথ্য তাঁর কাছে নেই।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement