নতুন হায়ার এসিতে ঠান্ডা না পাওয়ার অভিযোগ, ভোক্তা অধিকারে যাওয়ার হুঁশিয়ারি
Published : ১০:২৩, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কিনেও তীব্র গরমে কাঙ্ক্ষিত শীতলতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন সুলতানা লিজা নামে এক ক্রেতা। বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হায়ার (Haier)-এর এসি কিনে সমস্যায় পড়ার পর একাধিকবার কাস্টমার কেয়ার ও টেকনিক্যাল টিমকে জানিয়েও স্থায়ী সমাধান না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে সুলতানা লিজা জানান, গত ৫ জুন ‘গ্রিন এয়ার’ শোরুম থেকে তিনি ‘Haier Clean Cool 1.6 Ton’ মডেলের একটি এসি কেনেন। ব্যবহারের শুরু থেকেই এসিটির কুলিং নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
তার দাবি, ১৩২ বর্গফুটের কক্ষে ২৩-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালিয়েও পুরো ঘর ঠান্ডা হচ্ছে না। এসির সামনের সীমিত অংশে ঠান্ডা বাতাস পাওয়া গেলেও ঘরের অন্য অংশে তা ঠিকভাবে পৌঁছায় না।
বিশেষ করে রাতে সমস্যা আরও প্রকট হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে কুল মোডে এসি চালিয়ে ঘুমানোর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর হঠাৎ ঘর গরম হয়ে যায়। তখন এসি থেকে ঠান্ডা বাতাসের পরিবর্তে সাধারণ ফ্যানের মতো বাতাস বের হতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিষয়টি হায়ার বাংলাদেশের কাস্টমার কেয়ার ও টেকনিক্যাল টিমকে একাধিকবার জানানো হলেও তারা মূলত গ্যাস পরীক্ষা ও রিফিল করেছে। এতে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁর।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করার পর কোম্পানির পক্ষ থেকে সমাধানের আশ্বাস পাওয়ায় পোস্টটি মুছে ফেলেছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।
সুলতানা লিজা বলেন, নতুন পণ্য কিনে এমন ভোগান্তি গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে নিজের অধিকার রক্ষায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করবেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে, প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি বিএসটিআইয়ের ল্যাবে জব্দ করা কিছু এসি পরীক্ষা করে পণ্যের ঘোষিত সক্ষমতার সঙ্গে প্রকৃত যান্ত্রিক সক্ষমতার অমিল পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু হায়ার এসির ঘোষিত টন ও কুলিং সক্ষমতার তুলনায় পরীক্ষায় কম BTU পাওয়া গেছে।
তবে এসব পরীক্ষার ফল, সংশ্লিষ্ট পণ্যের নির্দিষ্ট মডেল এবং হায়ার বাংলাদেশের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে এ বিষয়গুলোকে অভিযোগ ও প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


































